ফেসবুক পেজ ফ্লিপিং (Page Flipping) কী?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কম দামে একটি গ্রোয়িং বা ডেড পেজ কিনে সেটিতে রেগুলার কনটেন্ট দিয়ে রিচ বাড়িয়ে বেশি দামে বিক্রি করাকেই "Page Flipping" বলা হয়। ডিজিটাল যুগে এটি একটি অত্যন্ত লাভজনক রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কীভাবে পেজের সঠিক দাম নির্ধারণ করবেন?
একটি ফেসবুক পেজের দাম শুধুমাত্র ফলোয়ারের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত ৪টি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে:
- এঙ্গেজমেন্ট রেট: ১ লাখ ফলোয়ার থাকার পরও যদি পোস্টে ১০০ লাইক না আসে, তবে সেই পেজ ডেড। অন্যদিকে ১০ হাজার ফলোয়ারের পেজে ১ হাজার লাইক আসলে সেই পেজের দাম অনেক বেশি হবে।
- মনিটাইজেশন স্ট্যাটাস: পেজে ইন-স্ট্রিম অ্যাডস বা রিলস বোনাস চালু থাকলে পেজের ভ্যালু সাধারণ পেজের চেয়ে ৩-৫ গুণ বেড়ে যায়।
- অডিয়েন্সের লোকেশন: পেজের ফলোয়ার যদি ইউএসএ (USA), ইউকে (UK) বা ইউরোপের হয়, তবে সেই পেজ থেকে ইনকাম অনেক বেশি হয়, তাই এর দামও প্রিমিয়াম লেভেলের হয়।
- পেজ কোয়ালিটি ও পলিসি: গ্রিন কোয়ালিটির পেজ সবসময় নিরাপদ। হলুদ বা লাল পেজ কোয়ালিটি থাকলে কেউ তা কিনতে চায় না।
নিরাপদে পেজ কেনাবেচা করার চেকলিস্ট
পেজ কেনাবেচার সময় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ স্ক্যামের শিকার হন। এই স্ক্যাম থেকে বাঁচতে সবসময় নিচের চেকলিস্ট ফলো করুন:
- অ্যাডমিন ডিল ব্যবহার করুন: PageBazar এর মতো বিশ্বস্ত এসক্রো (Escrow) প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন। আপনি সরাসরি টাকা না পাঠিয়ে প্ল্যাটফর্মে পাঠাবেন, পেজ বুঝে পাওয়ার পর প্ল্যাটফর্ম সেলারকে টাকা রিলিজ করবে।
- বিজনেস ম্যানেজার (BM) চেক করুন: পেজটি কোনো লুকায়িত বিজনেস ম্যানেজারের সাথে যুক্ত আছে কি না তা আগে চেক করুন। পেজ কেনার পর আগের সব অ্যাডমিন এবং BM রিমুভ করে দিন।
- তাড়াহুড়ো করবেন না: নতুন পেজ কিনে সাথে সাথেই নিজের বিজনেস ম্যানেজারে অ্যাড করবেন না বা পেজের নাম পরিবর্তন করবেন না। অন্তত ৭ দিন সাধারণ অ্যাডমিন হিসেবে পেজটি হোল্ড করুন।
এই নিয়মগুলো মেনে চললে আপনি ফেসবুক পেজ কেনাবেচা করে খুব সহজেই একটি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স তৈরি করতে পারবেন।